«

»

সেপ্টে ২২

Print this Post

কারিগরি মেডিকেল টেকনোলজিষ্টদের ভোগান্তি : রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের আজব শিক্ষা নীতি

banner“রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ” একটি সম্মানিত প্রতিষ্ঠান যেখানে স্বাস্থ্য বিষয়ক পেশাদারীদের তাদের পেশার মান উন্নয়নের জন্য, দক্ষ ভাবে গড়ে তুলার জন্য বিভিন্ন ট্রেনিংএর ব্যবস্থা করা। যার সনদপত্র হবে প্রশিক্ষণ সনদপত্র এবং সংশ্লিস্টদের কোঠা /বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।যা ডাক্তারদের বেলায় করে থাকেন। কিন্তু কিছু স্বার্থবাদী আর রাজনৈতিক দলগত কারণে এই মহান প্রতিষ্টান কে স্বাস্থ্য শিক্ষার অনুষদ হিসাবে ব্যবহার করছে যা পৃথিবীর কোনো শিক্ষা আইনে নাই।আর এর ফলে দেশের অসচেতন মানুষ গুলো হয়রানি হচ্ছে। বিগত ২o বছরে এদের পরিচালিত প্রতিষ্টান থেকে যে সকল দক্ষ পেশাদারী (নার্স সহ )পাস করে বের হয়েছেন এমন কেউ কি আছেন যিনি বিদেশে গিয়ে এই সনদ পত্রের যোগ্যতায় বিএসসি করতে পেরেছেন??? আমার জানা মতে একজন ও পারেনি।কারণ বিশ্বের কোনো দেশেই বাংলাদেশের মত এই আজব সিস্টেম নাই।

সব দেশেই শিক্ষা আইন অনুযায়ী সকল টেকনিকাল শিক্ষা হবে টেকনিকাল বোর্ড এর অধীনে আর পাস করার পরে অটো রেজিস্ট্রেশন হবে এই অধিদপ্তরে।যেমন ডাক্তার তার পেশার জন্য করে করে থাকেন।
এখন আমার প্রশ্ন হলো :
১.যদি তারা এই প্রতিষ্টান কে স্বাস্থ্য শিক্ষা অনুষদ হিসাবে চালায় তবে কেন মেডিকেল & ডেন্টাল শিক্ষাকে তাদের অধীনে না রেখে শিক্ষা বোর্ড / বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রেখেছেন ??? কারণ কি এখানে ব্যক্তি স্বার্থের মাদবরী চলবে না?
২.কিন্তু তারা বিদেশে ভালো চাকুরী করতে পারেন এই কারণে যে এদের যে রেজিস্ট্রেশন আছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেটার গুরুতে।কারণ স্বাস্থ্য পেশাদারীর চাকুরীর জন্য ওই রেজিস্ট্রেশন প্রজোনীয় সারা পৃথিবী জুড়ে।
৩.যারা কারিগরী বোর্ড থেকে পাস করেছেন তাদের অবস্থাটা একবার দেখেন -দেশের শিক্ষা আইন অনুযায়ী পড়াশুনা করেও ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছে না ,সরকারী চাকুরিতে আবেদনে ঝামেলা (বর্তমানে সংগ্রাম করার পরে হয়তো কিছুটা সমাধান হচ্ছে) কিন্তু বিদেশে তাদের জন্য উচ্চ শিক্ষার পথ খোলা।আমি তার বাস্তব প্রমান।আমি ২০১২ সালে ডেন্টাল ডিপ্লোমা করি। বর্তমানে পড়াশুনা করছি মেডিসিন ৩য় বর্ষের ” Texila American University (TAU) ,guyana,South america.
বাংলাদেশের শিক্ষা আইন আছে ঠিক কিন্তু আর ব্যবস্থা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে বিশ্বজুড়ে। দেশ থেকে যারা মেডিকেলে পড়াশুনা করে বিদেশে পেশাদারী হিসেবে কাজ করতে চাইলে আপনাকে আবার ২ বছর ট্রেনিং করতে হবে। কারণ আমাদের দেশের কারিকুলাম আন্তর্জাতিক মানের না।তাই এ সকল দন্য দশা থেকে বাচতে হলে শিক্ষা আইন কে মানতে হবে।দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তাই আমি চাই বিগত দিনের পাস করা সকল স্বাস্থ্য অনুষদকে অনতি বিলম্বে কারিগরি বোর্ডের আওতায় আনা হউক, সেই সাথে কারিগরী শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা সকল কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশনের আওতাভুক্ত করা হউক। এতে যেমন শিক্ষার মান বাড়বে তেমনি দক্ষ জন শক্তি হবে দেশের সম্পদ..
‌ফেসবুক থেকে সংগ্রহিতঃ ফরিদা ইয়াসমিন দিপা, Texila American University(TAU), America.
সুত্রঃ মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/১৭-০৫-২০১৬ইং/নিঝুম

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Permanent link to this article: http://btebmts.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%9c/

৫ comments

Skip to comment form

  1. hehe

    science bad deya karigori vocasonal a pore boro laksar Mara ji na…

  2. Misbah uddin Ahmed Nizum

    আমি জাতীয় অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠে’র বার্তা সম্পাদক এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাশকৃত বাংলাদেশের প্রথম ব্যাচের একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট। আমার রেজিঃ নং- ০৯।

    ধন্যবাদ, নিউজটি পোস্ট করার জন্যে। এই নিউজটি করার পর স্টেট ফেকাল্টির ছাত্ররা আমাকে ফোনে হুমকি দিয়েছিল।।

    1. Md. Faysal Hosen Farhad

      আপনা‌কে ধন্যবাদ। আমা‌দের সংগঠ‌নের ‌লি‌খিত ও রে‌জিষ্ট্রিকৃত সদস্য হওয়ার জন্য আপনা‌কে অনু‌রোধ করা হ‌চ্ছে। এই নিউজ বাংলার কন্ঠস্ব‌রে সংগঠ‌নের পক্ষ থে‌কে প্রথম প্রকাশ করা হ‌য়ে‌ছিল।

  3. Yeasin

    Amio technical education board theke pasd kore bortomane Singapore a kormoroto achi.

    1. Md. Faysal Hosen Farhad

      আপ‌নি কি মে‌ডি‌কেল টেক‌নোল‌জিষ্ট প‌দে কর্মরত আ‌ছেন? আপনার ফেসবুক আই‌ডি দেন ও আমা‌দের সদস্য হোন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Translate »
Return to Top ▲Return to Top ▲