«

»

আগ ২৬

Print this Post

বিটিইবি এমটিরা পেলনা তাদের প্রতিভার দাম….

প্রিয় বিটিইবি এমটি ও নার্সিং এবং ফার্মেসী ও ডেন্টাল ভাই বোনেরা আমি আপনাদের কাছে আজ অত্যান্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের কাছে কিছু কথা লিখতে ইচ্ছে করছে।

আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ থাকবে, আর সেই অনুরোধ টা আপনারা যদি রাখেন তাহলে আমার যেমন উপকার হবে ঠিক তেমনি আপনাদের এবং দেশের জন্য উপকার হবে। আপনারা অবশ্যই জানেন আপনারা যে ইনিস্টিটিউশন এর অধিনে লেখাপড়া করছেন সেটা অবশ্যই একটি বোর্ডের অধিভুক্ত, আর বোর্ড একটি শিক্ষামন্ত্রানালয় এর কাছে নিবন্ধিত। আপনারা অবশ্যই সরকারি ইনিস্টিটিউট গুলোর মত বিনা বেতনে অথবা নাম মাত্র বেতনে পড়াশুনা করেন না।আপনার, আমার এই কোর্স শেষ করতে অবশ্যই প্রচুর টাকা দিতে হয়েছে। এমনকি কোন মাসে যদি বেতন দিতে অথবা রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে বিলম্ব হয়েছে অবশ্যই কলেজ থেকে অনেক হুমকি দামকি আমাদের মা,বাবাকে মানুষিক টেনশন পড়তে হয়েছে,অতপর অতিরিক্ত ফী সহ উক্ত টাকা আদায় করে নিয়েছে কলেজ কতৃপক্ষ। এখন আসেন মূল কথায় যায় গত ২৪/০৮/২০১৭ ইং তারিখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ১৫ই আগষ্টের শোক দিবসের আলোচনা সবাই মাননীয় শিক্ষামমন্ত্রী মহোদয়ের উপস্থিতিতে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড হতে পরিচালিত সরকারি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট এর বিভিন্ন ট্রেড এর যেমন ইলিক্ট্রিক্যাল,কম্পিউটার সাইন্স, ইলেক্ট্রনিকস,ভোকেশনাল, ইত্যাদি পরিক্ষায় যারা মেধা তালিকায় প্রথম,দ্বিতীয়, তৃতীয় হয়েছে তাদের কে আমাদের কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের মাধ্যমে এই প্রতিভাবান ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরষ্কার তুলেদেন। আমি সাধুবাদ জানাই এতে করে ছাত্র/ছাত্রীরা অনেক বেশি মনোযোগী হবে এবং বেশী করে অনুপ্রাণিত হবে। কিন্তু চেয়ারম্যান মহোদয়ের নিকট আমার প্রশ্ন কারিগরি শিক্ষাবোর্ড হতে মেডিকেল টেকনোলজি শিক্ষায় কোন ছাত্র/ছাত্রী কি বোর্ডের রেজাল্টে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় হয়নি? কেন তাদের কে তাদের প্রতিভার মূল্যায়ন করা হয়নি? আপনাকে অবশ্যই এই প্রতারনার বিটিইবি এমটি জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে। আমি পরিষ্কার করে বলেদিচ্ছি। বিটিইবিএমটিস যদি বেচে আপনাকে এই অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতেই হবে। বিটিইবি এমটি ছাত্র /ছাত্রী রা সরকার থতা আপনার বোর্ডকে মাসিক বেতন দিয়ে পড়াশুনা করেছে বিনাবেতনে নয়। আমি আপনাদের মত একজন সাধারন ছাত্র ছিলাম। হয়ত আপনাদের মত বাবা মা আমাকে পড়াশুনার অর্থের যোগান দিতে পারিনি, পারবে কিভাবে ওনারা জিবিত ছিলেন না। নিজে চাকুরী করে পড়াশুনা করেছি আর রেজিস্ট্রেশন। ফী দিতে হবে সেই জন্য ঈদের জামা এবং জুতা ক্রয় করতে পারিনি। আরো অনেক কষ্টবোধ না লিখলাম। প্রিয় বিটিইবি এমটি ভাই বোনেরা এম টি বন্ধু ফয়সাল হোসেন ফরহাদ এখনো মামলার হাজিরাদেয়। ওনারা মনে করেন মামলা হামলা করে আমাদের ধাবিয়ে রাখবেন। কিন্তু ভুল করবেন, বিটিইবিএমটিস এ এখন লক্ষ ফরহাদ জন্ম নিবে। আমরা আর আপনাদের কে বিশ্বাস করি না।আমাদের সাথে প্রতারনার হিসাব আপনাকে দিতেই হবে।

মোঃঈমান উদ্দীন ডালিম,

সভাপতি,

বিটিইবিএমটিএস, কেন্দ্রীয় সংসদ। 

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Permanent link to this article: http://btebmts.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Translate »
Return to Top ▲Return to Top ▲